অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়া বড় করা নিরাপদ মুরগি
খামার থেকে সরাসরি আপনার বাসায়।
- Families served
- ৫০০+
- Batches verified
- ০
- Dhaka delivery
- পরদিন সকালে
Batch Verification
প্যাকেটের নম্বরটা লিখুন, বাকিটা আমরা দেখাচ্ছি
প্রতিটি প্যাকেটের স্টিকারে একটি ব্যাচ নম্বর থাকে। সেটি এখানে লিখলে ওই মুরগিটি সম্পর্কে আমাদের রেকর্ডে যা আছে, সব দেখতে পাবেন। কিউআর কোডটি স্ক্যান করলেও একই পাতা আসবে।
- কোন খামারে, কোন জাতের মুরগি
- কী খাবার দেওয়া হয়েছে
- কবে প্রসেস ও প্যাক হয়েছে
- অ্যান্টিবায়োটিক ও গ্রোথ বুস্টারের অবস্থা
ব্যাচ নম্বর যাচাই করুন
Why Us
মুরগি কেনার আগে যা যা জানা দরকার
আমরা যা করি আর যা করি না — দুটোই খোলাখুলি বলা আছে। কোনোটা নিয়ে সন্দেহ হলে ব্যাচ নম্বর দিয়ে যাচাই করে নিতে পারেন।
অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় না
বাচ্চা আসার দিন থেকে প্রসেসিং পর্যন্ত কোনো অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় না। অসুস্থ মুরগি আলাদা করে রাখা হয়, সেগুলো বিক্রির জন্য যায় না।
খোলা পরিবেশে বড় হয়
ঠাসাঠাসি খাঁচা নেই। প্রতিটি মুরগি হাঁটাচলার জায়গা পায়, দিনের আলো পায়। এতে মাংসের স্বাদ আর গঠন দুটোই আলাদা হয়।
খাবারে ভেজাল নেই
ভুট্টা, সয়াবিন খৈল আর চালের কুঁড়া — নিজেরা মিশিয়ে তৈরি করা খাবার। কোনো গ্রোথ বুস্টার বা হরমোন মেশানো হয় না।
অর্ডারের পর প্রসেসিং
আগে থেকে কেটে ফ্রিজে রাখা হয় না। অর্ডার পাওয়ার পর ভোরে প্রসেস করে সেদিনই পাঠানো হয়।
ঠান্ডা রেখে ডেলিভারি
আইস বক্সে করে পৌঁছে দেওয়া হয়, যাতে আপনার হাতে পৌঁছানো পর্যন্ত ঠান্ডা থাকে। রাস্তায় কোনো হাত বদল হয় না।
সমস্যা হলে ফেরত
পণ্য হাতে পেয়ে পছন্দ না হলে ডেলিভারি ম্যানকে ফেরত দিন। আপনার টাকা ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে, কোনো প্রশ্ন করা হবে না।
How We Raise
বাচ্চা থেকে আপনার রান্নাঘর পর্যন্ত
আট সপ্তাহের পুরো সময়টা কী হয়, ধাপে ধাপে।
বাচ্চা আসে হ্যাচারি থেকে
সরকার অনুমোদিত হ্যাচারি থেকে একদিনের বাচ্চা আনা হয়। আসার দিনই ওজন আর সংখ্যা লিখে ব্যাচ খোলা হয়। এই ব্যাচ নম্বরটাই শেষ পর্যন্ত আপনার প্যাকেটে যাবে।
নিজেদের তৈরি খাবার
ভুট্টা, সয়াবিন খৈল, চালের কুঁড়া আর ঝিনুকের গুঁড়া মিশিয়ে খাবার তৈরি হয় খামারেই। কোনো গ্রোথ বুস্টার বা অ্যান্টিবায়োটিক প্রিমিক্স ব্যবহার করা হয় না।
খোলা জায়গায় চলাফেরা
দিনে মুরগি শেডের বাইরের ঘেরা জায়গায় ছাড়া হয়। হাঁটাচলা করলে মাংস শক্ত হয়, চর্বি কম জমে — রান্নার পর পার্থক্যটা টের পাওয়া যায়।
পশু চিকিৎসকের পরিদর্শন
প্রতি সপ্তাহে রেজিস্টার্ড পশু চিকিৎসক এসে দেখে যান। কোনো মুরগি অসুস্থ হলে আলাদা করে রাখা হয় এবং সেটি কখনো বিক্রির জন্য যায় না।
ভোরে হালাল প্রসেসিং
অর্ডার অনুযায়ী ভোর ৫টা থেকে প্রসেসিং শুরু হয়। ধোয়া, ওজন আর প্যাকিং একই দিনে শেষ করে আইস বক্সে তোলা হয়।
৭
বছর ধরে একই খামারে, একই পদ্ধতিতে
Our Story
শুরুটা নিজের পরিবারের জন্যই ছিল
২০১৯ সালে বাজার থেকে মুরগি কিনে বাসায় রান্নার পর একটা অদ্ভুত গন্ধ পেতাম। খোঁজ নিয়ে জানলাম, বেশিরভাগ ফার্মে বাচ্চা থেকে বিক্রি পর্যন্ত নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয় — শুধু দ্রুত ওজন বাড়ানোর জন্য।
তখন গাজীপুরে ছোট একটা শেড নিয়ে ২০০টা বাচ্চা দিয়ে শুরু করি, নিজেদের খাওয়ার জন্য। প্রতিবেশীরা চাইতে শুরু করলেন, তারপর তাদের আত্মীয়রা। এখন প্রতি সপ্তাহে ঢাকার অনেক পরিবারে যায়।
আমরা এখনো ছোট। ইচ্ছে করেই। বড় করতে গেলে যে যে জিনিস ছাড় দিতে হয়, সেগুলোই তো আমাদের শুরু করার কারণ ছিল।
Comparison
বাজারের মুরগির সাথে পার্থক্যটা কোথায়
আমরা কোনো নির্দিষ্ট দোকানের কথা বলছি না। বাংলাদেশে ব্রয়লার পালনের যে সাধারণ পদ্ধতি, তার সাথে তুলনা।
FAQ
যা মানুষ সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করেন
উত্তর না পেলে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ দিন — প্রতিদিন সকাল ৮টা – রাত ১০টা। চাইলে অন্যভাবেও যোগাযোগ করতে পারেন।